মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

দর্শনীয় স্থান

ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহ ঃ

 

কসবা মসজিদ

গৌরনদী, বরিশাল।

   কসবা মসজিদটি গৌরনদী উপজেলাধীন কসবা গ্রামে অবস্থিত নয় গম্বুজ বিশিষ্ট এ মসজিদটি বাগের হাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের অনুরুপ বর্গাকারে নির্মিত এ মসজিদের পরিমাপ ১১.৬৮ মিটার ×১১.৬৮ মিটার এবং দেয়াল গুলো ২.১৮ মিটার চওড়া। মসজিদের সম্মুখ ভাগ ফুল ও অন্যান্য নকসায় ভরপুর। মসজিদের চার কোনে চারটি গোলাকার টারেক রয়েছে। টারেক গুলো রেখায় আলংকৃত। মসজিদের উল্লেখ যোগ্য বৈশিষ্ট হল। কার্নিশ গুলো বর্গকারে নির্মিত। উত্তর ও দক্ষিন দিকে একটি খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ আছে। পূর্ব দিকে মসজিদের ভিতরে প্রবেশের জন্য তিনটি পথ রয়েছে। পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মেহরাব আছে। মসজিদটি দেখে মনে হয় ইহা পঞ্চদশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময় খানজাহান রহঃ এর আমলে নির্মিত।

 

 

হযরত মল্লিক দূত কুমার শাহ রাঃ এর মাজার

 

হযরত মল্লিক দূত কুমার পীর সাহেব রাঃ এর মাজার শরীফ গৌরনদী উপজেলাধীন লাখেরাজ কসবা গ্রামে অবস্থিত। মাজারটি আরবের ইয়েমেনের বাদশাহর দ্বিতীয় পুত্র বাদশা জাহাঙ্গীরের আমলে স্থাপিত। মাজার সংলগ্ন উত্তর পার্শে একটি মসজিদ রয়েছে। এই উপমহাদেশে তিনি মূলত ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। তার আমলে কসবা গ্রামের খাজনা মওকুফ করেছেন বলে বলে গ্রামটির নাম হয়েছে লাখেরাজ কসবা। স্থানীয় ভাবে জনা যায় যে, তিনি বাঘের পিঠে চরে বেরাতেন এবং গাভীগুলো সেচ্ছায় তাকে দুত পান করাতেন।

 

 

মাহিলাড়া মঠ

 

 

         নবাবআলীবর্দি খানের ১৭৪০-১৭৫৬ সনের শাসনামলে সরকা রুপরাম দাস গুপ্ত নামক এক ব্যাক্তি কর্তৃক নির্মিত। ইহা সরকার মঠ নামেও পরিচিত। মঠটির উচ্চতা ভুমি হতে প্রায় ২৭.৪০ মিটার। মঠটি বর্গাকারে নির্মিত ভিতরে একটি কক্ষ এবং পশ্চিম দেয়ালে একটি খিলান যুক্ত প্রবেশ পথ সহ অলংকরণ রয়েছে। বর্নিত বিবেচনায় মঠটি পর্যটন এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। উল্লেখ্য যে, মাহিলাড়া মঠটি প্রত্মতত্ব অধিদপ্তর  কর্তৃক ঐতিহাসিক মঠ হিসেবে স্বীকৃত পেয়েছে।